মন্দিরে রাত কাটালেই গর্ভবতী হন নিঃসন্তান মহিলা!

3 days ago 53

দিল্লি: মন্দিরে গেলেই পুণ্যলাভ হয় এটা আমরা সকলেই জানি। তাই তো ভারতের ধার্মিক ব্যক্তিরা জীবনে একবার হলেও দেব দর্শনে যেতে চান যাতে তাদের স্বর্গলাভ বা পুণ্যলাভ হয় এই জন্মেই। ভারত জুড়ে যে অসংখ্য মন্দির রয়েছে তার প্রতিটিতেই রয়েছে কোনো না কোনো রহস্য। সেই রহস্যের পেছনে কী কারণ রয়েছে এবং লোকমুখে শোনা কথাগুলি কতটা সত্যি সেগুলি নিয়ে বারবার কাটাছেঁড়া করেছেন ঐতিহাসিকরা ও গবেষকরা। এই রহস্য-রোমাঞ্চই সেই মন্দিরগুলির প্রাণ যার আকর্ষণে বারবার সেখানে দর্শনে যান ভক্তরা।

ভারতবর্ষে এমন একটি মন্দির রয়েছে যেখানে এক রাত কাটানোর পরই নারীরা হয়ে পড়েন গর্ভবতী। এটাকে তারা ঈশ্বরের আশীর্বাদ হিসেবে মনে করেন। হিমাচল প্রদেশের সিমসা মাতার মন্দির এমনই অদ্ভুত ক্ষমতার অধিকারী বলে আজও প্রচলিত। নিঃসন্তান মহিলাদের কাছে তাই এই মন্দির যেন স্বয়ং ভগবানের রূপ। নবরাত্রির সময়ে এখানে ঢল নামে পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়ের নিঃসন্তান মহিলাদের। তবে এই রহস্য কতটা কতটা সত্যি?

নবরাত্রির সময় এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে এক বিশেষ উত্সব পালন করা হয় যার নাম হলো “সলিন্দরা”। এর অর্থ “স্বপ্ন পাওয়া”। সেই সময় মহিলারা দিনরাত এক করে মন্দির চত্বরে শুয়ে থাকেন। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস দু-এক রাত্রি দেবীর আরাধনা করলেই সেই মহিলাদের স্বপ্নের মাধ্যমে আশীর্বাদ করেন দেবী সিমসা মাতা। তাদের বিশ্বাস এভাবেই দেবীর আশীর্বাদ হিসেবে তাদের কোল আলো করে আসবে সন্তান।

আরো পড়ুন- অবসাদ কাটিয়ে উঠেছেন…জানান দেবে এই লক্ষণ

দেবীর সেই সংকেতে সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে তাও নাকি জেনে ফেলা সম্ভব বলে দাবি ভক্তদের। কোনও মহিলা যদি স্বপ্নে “আম” দেখেন তাহলে তার পুত্র সন্তান হবে। কেউ আবার স্বপ্নে ঢ্যাঁড়শ দেখলে তিনি কন্যাসন্তানের জননী হবেন। আবার সবসময়েই যে মহিলা গর্ভবতীই হবেন তারও কোনো স্থিরতা নেই। অনেক সময়ে স্বপ্নে কাঠ বা পাথর দেখলে সেই মহিলাকে সারাজীবন নিঃসন্তান থাকতে হবে। নিঃসন্তানের স্বপ্ন দেখার পরেও মন্দির থেকে মহিলা না সরলে তার শরীরে লাল লাল দাগ হয়ে যায়।

The post মন্দিরে রাত কাটালেই গর্ভবতী হন নিঃসন্তান মহিলা! appeared first on Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal's Leading online Newspaper.

Read Entire Article